আরশের ছায়ার নিচে স্থান পাবে কারা? মুফতি গোলাম কিবরিয়ার নতুন ওয়াজে ৭ সৌভাগ্যবান ব্যক্তি

আরশের ছায়া পাবে যে ৭ শ্রেণীর সৌভাগ্যবান ব্যক্তি! আপনার নাম কি আছে Mufti Golam Kibria Kasemi


ভূমিকা

কিয়ামতের সেই ভয়াবহ দিনে, যখন সূর্য মাথার মাত্র এক বিঘত উপরে থাকবে এবং মানুষ নিজের ঘামে হাবুডুবু খাবে, তখন কোনো ছায়া থাকবে না। সেই কঠিন মুহূর্তে একমাত্র ভরসা হবে মহান আল্লাহর আরশের ছায়া। কিন্তু কারা পাবেন সেই কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়? সম্প্রতি এক বিশাল bangla waz mahfil অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও bangladeshi bokta, মুফতি গোলাম কিবরিয়া

এই নতুন ওয়াজ থেকে আমরা কেবল সেই সৌভাগ্যবানদের কথাই জানব না, বরং রাসূল (ﷺ) এর প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা এবং উম্মতের প্রতি তাঁর দরদ কতটা গভীর ছিল, তাও অনুভব করতে পারব। এই islamic video থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই আজকের এই আলোচনা।

রাসূল (ﷺ) : শুধু নবী নন, তিনি রহমতের চাদর

আলোচনার শুরুতে mufti golam kibria সাহেব রাসূল (ﷺ) এর অতুলনীয় মর্যাদার কথা তুলে ধরেন। আল্লাহ তায়ালা যেখানে নিজের পরিচয় দিয়েছেন 'রাব্বুল আলামিন' (সৃষ্টিকুলের রব) হিসেবে, সেখানে তিনি তাঁর প্রিয় হাবিব (ﷺ) কে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন 'রাহমাতুল্লিল আলামিন' (সৃষ্টিকুলের জন্য রহমত) হিসেবে।

তিনি একটি অসাধারণ ঘটনা বর্ণনা করেন। একবার মক্কার কুরাইশ নেতারা রাসূল (ﷺ) এর কাছে এসে এক অসম্ভব আবদার করে বললো, আপনি যদি সাফা পাহাড়কে সোনায় পরিণত করে দেন, তবে আমরা ঈমান আনব। উম্মতের হেদায়েতের জন্য ব্যথিত হয়ে নবীজি (ﷺ) দোয়া শুরু করলেন। তখন জিব্রাইল (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাব নিয়ে এলেন:

  রাসূল (ﷺ) : শুধু নবী নন, তিনি রহমতের চাদর
  1. আল্লাহ সাফা পাহাড়কে সোনা বানিয়ে দেবেন, কিন্তু এরপরও যদি তারা ঈমান না আনে, তবে তাদের এমন কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে যা পৃথিবীর আর কাউকে দেওয়া হয়নি।
  2. অথবা, আল্লাহ আপনার উম্মতের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত তওবা এবং রহমতের দরজা খোলা রাখবেন।

আমাদের দয়ার নবী (ﷺ) নিজের মুজিজা প্রদর্শনের চেয়ে উম্মতের নাজাতকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন। তিনি দ্বিতীয় প্রস্তাবটিই গ্রহণ করে নিলেন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তিনি ছিলেন উম্মতের জন্য আল্লাহর পাঠানো শ্রেষ্ঠ উপহার।

উম্মতের জন্য ঝরেছে যাঁর চোখের পানি

রাসূল (ﷺ) শুধু রহমতের নবীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদতগুজার। আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) এত দীর্ঘ সময় ধরে নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতেন যে তাঁর পা মোবারক ফুলে যেত। যখন তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি উত্তরে বললেন, "আমি কি আল্লাহর একজন শুকরগুজার বান্দা হবো না?"

তাঁর এই ইবাদত, এই কান্না নিজের জন্য ছিল না; ছিল উম্মতের জন্য। তিনি সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) এর কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত শুনেও শিশুর মতো কাঁদতেন। তাঁর এই কান্না ছিল আমাদের মুক্তির চিন্তায়।

আরশের ছায়ায় সাত সৌভাগ্যবান ব্যক্তি: কারা তারা?

এই মনোমুগ্ধকর waz এর মূল আলোচনা ছিল কিয়ামতের ময়দানে আরশের ছায়া নিয়ে। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সেই কঠিন দিনে সাত শ্রেণীর মানুষ আল্লাহর বিশেষ ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন। বুখারী শরীফের হাদিসে এসেছে:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلُّهُ الإِمَامُ الْعَادِلُ، وَشَابٌّ نَشَأَ فِي عِبَادَةِ رَبِّهِ، وَرَجُلٌ قَلْبُهُ مُعَلَّقٌ فِي الْمَسَاجِدِ، وَرَجُلاَنِ تَحَابَّا فِي اللَّهِ اجْتَمَعَا عَلَيْهِ وَتَفَرَّقَا عَلَيْهِ، وَرَجُلٌ طَلَبَتْهُ امْرَأَةٌ ذَاتُ مَنْصِبٍ وَجَمَالٍ فَقَالَ إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ، وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ أَخْفَى حَتَّى لاَ تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ، وَرَجُلٌ ذَكَرَ اللَّهَ خَالِيًا فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ ‏"‏‏.‏

"রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যেদিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ সাত শ্রেণীর ব্যক্তিকে তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৬৬০)

এই waz bangla অনুষ্ঠানে সেই সৌভাগ্যবান সাত ব্যক্তি সম্পর্কে যা বলা হয়েছে:

  1. ন্যায়পরায়ণ শাসক: যে নেতা, বিচারক বা শাসক ইনসাফের সাথে শাসন করে এবং জনগণের আমানতের খিয়ানত করে না।
  2. যৌবনে আল্লাহর ইবাদতকারী যুবক: যে যুবক তার যৌবনের মূল্যবান সময় আল্লাহর গোলামি ও বন্দেগীতে উৎসর্গ করেছে।
  3. মসজিদের সাথে আত্মিক সম্পর্ক যার: সেই ব্যক্তি, যার অন্তর সর্বদা মসজিদের সাথে লেগে থাকে। এক ওয়াক্ত নামাজ শেষ করে আরেক ওয়াক্ত নামাজের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে।
  4. আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালোবাসাকারী: এমন দুজন ব্যক্তি, যারা শুধুমাত্র আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য একে অপরকে মহব্বত করে এবং এই ভালোবাসার কারণেই একত্রিত ও পৃথক হয়।
  5. পাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানকারী: এমন পুরুষ, যাকে কোনো সুন্দরী ও সম্ভ্রান্ত নারী জিনা বা ব্যভিচারের দিকে আহ্বান করলে সে শুধু আল্লাহর ভয়ে বলে ওঠে, "আমি আল্লাহকে ভয় করি।"
  6. গোপনে দানকারী ব্যক্তি: যে ব্যক্তি এতটাই গোপনে দান-সদকা করে যে তার ডান হাত কী দান করলো, বাম হাতও তা জানতে পারে না।
  7. নির্জনতায় আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী: যে ব্যক্তি একা একা, নীরবে-গোপনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং জাহান্নামের ভয়ে ও তাঁর মহব্বতে চোখের পানি ফেলে।

এই সাত শ্রেণীর মানুষ সেই ভয়াবহ দিনে আল্লাহর বিশেষ রহমতের অধীনে থাকবেন, যা এক অমূল্য প্রাপ্তি।

মূল আলোচনাটি ভিডিওতে শুনুন

বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রতিফলন

আজকের আধুনিক যুগে এই গুণগুলো অর্জন করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং এবং তাই আরও বেশি মূল্যবান। যখন চারপাশে অন্যায় আর স্বজনপ্রীতি, তখন ন্যায়পরায়ণ থাকাটা কঠিন। সোশ্যাল মিডিয়া ও নানা প্রলোভনের যুগে একজন যুবকের জন্য ইবাদতে মগ্ন থাকা এক বিরাট জিহাদ। একইভাবে, দেখানোর উদ্দেশ্যে দান করার এই সময়ে গোপনে দান করা এবং কোলাহলপূর্ণ জীবনে নির্জনতায় আল্লাহর জন্য কাঁদা—এগুলোই প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি।

উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য বিশেষ সম্মান

এই notun waz থেকে আমরা আরও জানতে পারি যে, কিয়ামতের দিন রাসূল (ﷺ) সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলবেন। জান্নাতের দারোয়ান বলবেন, "আপনার ব্যাপারেই আমাকে আদেশ করা হয়েছে, আপনি ছাড়া অন্য কারো জন্য এই দরজা খোলার অনুমতি নেই।" শুধু তাই নয়, জান্নাতিদের মোট কাতার হবে ১২০টি, যার মধ্যে ৮০টি কাতারই হবে উম্মতে মুহাম্মদী। সুবহানাল্লাহ!

জান্নাতে প্রবেশের সহজ আমল

আলোচনার শেষে, যা bangla waz 2025 সালেও প্রাসঙ্গিক থাকবে, মুফতি সাহেব নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশের জন্য চারটি সহজ আমলের কথা বলেন:

  • সালামের প্রচার করা: চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেওয়া।
  • মানুষকে খানা খাওয়ানো: ক্ষুধার্তকে অন্ন দেওয়া বা মেহমানদারী করা।
  • আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা: আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রাখা।
  • তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা: শেষ রাতে উঠে নামাজ আদায় করা, যখন অন্যরা ঘুমিয়ে থাকে।

একনজরে আরশের ছায়ায় ৭ সৌভাগ্যবান

  • ⚖️
    ন্যায়পরায়ণ শাসক: যিনি সুবিচার প্রতিষ্ঠা করেন।
  • երի
    ইবাদতকারী যুবক: যে যৌবনকে আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করে।
  • 🕌
    মসজিদপ্রেমী ব্যক্তি: যার হৃদয় মসজিদের সাথে বাঁধা থাকে।
  • ❤️
    আল্লাহর জন্য ভালোবাসা: যাদের ভালোবাসার ভিত্তি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি।
  • 🛡️
    পাপ প্রত্যাখ্যানকারী: যে আল্লাহর ভয়ে temptation থেকে বেঁচে থাকে।
  • 🤫
    গোপন দানকারী: যার দান এতটাই গোপন যে অন্য হাতও জানে না।
  • 💧
    নির্জনতায় ক্রন্দনকারী: যে একাকীত্বে আল্লাহর ভয়ে চোখের পানি ফেলে।

উপসংহার

আমাদের Famous islamic channel এ প্রচারিত এই waz bangla new আলোচনাটি আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা ও সুসংবাদ। কিয়ামতের কঠিন দিনে আরশের ছায়ায় সাত ব্যক্তি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে হলে দুনিয়ার জীবনে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সেই সাত শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার এবং রাসূল (ﷺ) এর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আপনার জন্য করণীয়

  • ন্যায়বিচারের অভ্যাস করুন: দৈনন্দিন জীবনে, পরিবারে বা কর্মক্ষেত্রে ছোট ছোট বিষয়েও সুবিচার করার চেষ্টা করুন।
  • যৌবনের সদ্ব্যবহার করুন: আপনি যদি যুবক হন, প্রতিদিন কিছু সময় নির্দিষ্ট করুন কোরআন তেলাওয়াত, জিকির বা ইসলামিক জ্ঞান অর্জনের জন্য।
  • মসজিদের সাথে সম্পর্ক গড়ুন: জামাতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করুন এবং নামাজের পর কিছুক্ষণ মসজিদে অবস্থান করে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।
  • গোপনে একটি ভালো কাজ করুন: সপ্তাহে অন্তত একটি ছোট দান এমনভাবে করুন যা আপনি আর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানবে না।
  • নির্জনতায় দোয়া করুন: প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে বা ফজরের পর ৫ মিনিট একা বসে নিজের গুনাহর জন্য ক্ষমা চান এবং আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করুন।

সম্পর্কিত আরো একটি পোষ্ট পড়ুন

কবরের জান্নাতি সুঘ্রাণ

পোস্টটি পড়ুন

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: আরশের ছায়া বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘আরশের ছায়া’ বলতে অধিকাংশ ইসলামিক স্কলার আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ সম্মানজনক আশ্রয়কে বুঝিয়েছেন, যা কিয়ামতের ভয়াবহ উত্তাপ থেকে মুমিনকে রক্ষা করবে। এটি আল্লাহর বিশেষ রহমত ও সুরক্ষার প্রতীক।

প্রশ্ন ২: হাদিসে উল্লেখিত গুণাবলী কি শুধু পুরুষদের জন্য?

উত্তর: না, এই গুণাবলী পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। যদিও হাদিসের ভাষায় পুরুষবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, ইসলামী শরীয়তের নীতি অনুযায়ী এসব পুরস্কার ও বিধান নারীদের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। যেমন, একজন ন্যায়পরায়ণ নারী শাসক বা নেত্রী, আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন যুবতী, মসজিদে (বা নামাজের স্থানে) মন লেগে থাকা নারী—সকলেই এই পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত হবেন ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন ৩: আমি যৌবনকাল পার করে ফেলেছি, আমার কি এই সৌভাগ্য লাভের কোনো সুযোগ নেই?

উত্তর: অবশ্যই সুযোগ আছে। যৌবনে ইবাদত করা কঠিন বলে এর পুরস্কার বিশেষ। কিন্তু অন্য গুণাবলী যেমন—ন্যায়বিচার, আল্লাহর জন্য ভালোবাসা, গোপনে দান, আল্লাহর ভয়ে কাঁদা ইত্যাদি যেকোনো বয়সে অর্জন করা সম্ভব। আল্লাহ বান্দার আন্তরিকতা দেখেন, বয়স নয়।

প্রশ্ন ৪: মুফতি গোলাম কিবরিয়ার এমন আলোচনা আরও কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: ইউটিউব এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে Mufti Golam Kibria new waz লিখে সার্চ করলে হুজুরের অনেক waz mahfil এর ভিডিও পাওয়া যায় এবং আমাদের Famous islamic channel এ নিয়মিত হুজুরের আলোচনা আপলোড করা হয়।


উপসংহার

এই islamic channel এ প্রচারিত waz bangla new আলোচনাটি আমাদের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা ও সুসংবাদ। কিয়ামতের কঠিন দিনে আরশের ছায়ায় সাত ব্যক্তি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে হলে দুনিয়ার জীবনে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সেই সাত শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার এবং রাসূল (সাঃ) এর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আমাদের ফলো করে পাশে থাকুন

নতুন পোস্ট প্রকাশের সাথে সাথে আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন।

ফলো করুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ

নবীনতর পূর্বতন